বীর্য গাঢ় করুন তালমাখানা খেয়ে।তালমাখানার গুনাগুন।talmakhana in bangla

তালমাখানার গুণাগুণ ।বীর্য গাঢ় করার উপায়।talmakhana in Bangla sex tips 


তালমাখানার উপকারিতা।


বন্ধুরা,তালমাখানা এমন এমন একটি খাবার,আপনি যদি গুগল বা ইউটিউবে এই তালমাখানার উপকারিতা সম্পর্কে সার্চ দেন, তাহলে এই তালমাখানার উপকারিতা  সম্পর্কে শত শত ভিডিও ও লিখা পেয়ে যাবেন ।

কিন্তু অনেকেই তা খাওয়ার সঠিক নিয়ম বলেনা।কিন্তু আমি আজ অত্যন্ত সুন্দর ভাবে আলোচনা করবো যে,কোন রোগের জন্য কোন পদ্ধতিতে তালমাখানা খেতে হয়।

অনেক বন্ধুরা একটা সমস্যায় ভুগছে।আর তা হলো যে,যখনই সে তার সঙ্গীর কাছে মিলনের আশা নিয়ে যায়।তখন লিঙ্গ সঙ্গীনীর যোনীতে প্রবেশ করানোর সাথে সাথে তার কাম রস বের হয়ে যায়।

ফলে তার সঙ্গীনী পরিপূর্ণ তৃপ্তি লাভ করতে পারে না ।ফলে সংসারে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।অনেক সংসার একেবারে ভেঙ্গে যায়।অনেক নারী আবার নিজের ব্যার্থ স্বামী কে ফাকি দিয়ে অন্য পর পুরুষের সাথে যৌন খেলায় মেতে ওঠে একটু তৃপ্তি লাভ করার জন্য।অথচ তা সম্পূর্ণ  হারাম। এর একটাই কারন, স্বামী তার স্ত্রীকে মন ভরে তৃপ্ত করতে পারেনা।তার সঙ্গীনীর পরিপূর্ণ চাহিদা পূরণের আগেই সে তার কামরস বের করে ফেলে।আর এটাকেই ডাক্তারী পরিভাষায় বলে দ্রুত বীর্যপাত।
মানুষেরা এই দ্রুত বীর্যপাত রোধ করার জন্য অনেক ডাক্তারের কাছে গিয়ে থাকে।হাজার হাজার টাকা খরচ করে থাকে।তেমন কোন ফল পায়না।কেউবা আবার বাজাজের বিভিন্ন হাতুড়ি ডাক্তার থেকে নানা রকম বেশিক্ষণ সেক্স করার বিভিন্ন ঔষধ সেবন করে তাদের যৌনশক্তি একেবারে শেষ করে ফেলে।

কিন্তু এমন কিছু উপাদান আমাদের আশপাশে আছে,যা আমরা নিয়মিত খেতে পারলে কোন ধরনের ক্ষতি ছাড়া এই যৌন দূর্বলতা থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি ।এবং স্ত্রীর সাথে যৌন খেলায় তাকে পরাজিত করতে পারি।তাকে পরিপূর্ণ সূখ দিয়ে এমন ভাবে সুখি করতে পারি যে,স্ত্রী কখনো অন্য পর পুরুষদের দিকে তাকাবেনা।তাদের সাথে অবাধে যৌন খেলায় লিপ্ত হবেনা।তারই একটি উপাদান হলো এই তালমাখানা।

বন্ধুরা এই তালমাখানা আপনি কেন খাবেন?
আপনি যদি আপনার স্ত্রীকে সুখি করতে না পারেন।সামান্য সময়ে যদি আপনার বীর্যপাত হয়ে  আপনার লিঙ্গ ঘুমিয়ে পড়ে ।আপনার স্ত্রী যদি আপনার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে।
যদি আপনি এমন সমস্যার সম্মুখীন হন,তাহলে আপনি প্রতিদিন এই তালমাখানা আমি যেভাবে বলবো আপনি সেভাবে কয়েক মাস খেয়ে দেখেন।বন্ধুরা অনেকে বলে এই তালমাখানা মাত্র তিনদিন বা সাত দিন খান।কিন্তু আমি এমন বলবোনা।কারন কোন কঠিন রোগী কিন্তু দুই তিনদিন বা এক সপ্তাহ এটি খেলে তেমন কোন ফলাফল পাবেনা।এই জন্য তার লাগাতার ভাবে এই তালমাখানা খেতে হবে।দেখা যায় অনেক হার্টের রোগী বা অনেক ডায়ভেটিস এর রোগী আছে ।যারা যে কোন ঔষধ খেতে পারেনা।তারাও যদি এই তালমাখানা খান তাহলে কোন ক্ষতি ছাড়া যৌন রোগের থেকে মুক্তি পেতে পারেন।এবং এই ডায়ভেটিস ও হার্টের সমস্যা থেকেও ইনশাল্লাহ মুক্তি পেতে পারেন।

তালমাখানা খাওয়ার নিয়ম


প্রতিদিন দুই চা চামচ তালমাখানা ও এক চা চামচ তালমিছরি গুরো একটি গ্লাসে ভিজিয়ে রেখে খাবেন।সকালে ভিজিয়ে রাতে খাবেন।এবং রাতে ভিজিয়ে সকালে খাবেন। এভাবে মোট দু বেলা করে খাবেন।খালি পেটেও খেতে পারেন ভরা পেটেও খেতে পারেন এতে কোন সমস্যা নেই।এভাবে লাগাতার ৩০থেকে ৪০দিন খাবেন।
যদি কোন বন্ধু এই তালমাখানার সাথে এক চামচ শতমূল বা শিমুল মূল পাউডার বা তেতুল বীজ চূর্ণ মিশিয়ে ও খেতে পারেন থাহলে আরো ভালো। এবং খাওয়ার সময়ে একবার সূরা ফাতিহা পড়ে দম করে খাবেন।

উপকারিতা: এর উপকারিতা হচ্ছে আপনি তা নিয়মিত সেবনে।আপনার বীর্যকে অনেক বাড়িয়ে দিবে।আপনার বীর্যকে গাঢ় করবে। আর বীর্য গাঢ় হলে অবশ্যই আপনার সহবাসের সময় অনেকগুন বেরে যাবে।


যেমন এক গ্লাস তরল পানি আপনি  ঢেলে দেয়া মাত্রই পড়ে যায়। কিন্তু এক গ্লাস ঘন খেজূরের মিঠাই যদি আপনি ঢেলে দেন।তাহলে কিন্তু তাড়াতাড়ি পড়বেনা।ঠিক তদ্রূপ আপনার বীর্য যখন ঘন হয়ে যাবে, তখন আপনি তাড়াতাড়ি বের করতে চাইলেও পারবেন না। যেমনটা আমার অনেক সময় এমন হয়।স্ত্রী বারবার রিকোয়েস্ট করে আর পারছিনা এবার ছারো।তখন তাড়াতাড়ি বের করতে চাই।কিন্তু বীর্য আমার কথা শুনেনা।শরীরের ঘাম ঝড়তে থাকে কিন্তু সহজে কামরস ঝড়েনা।

তাই উপরের নির্দেশনা মেনে যদি আপনি তালমাখানা খেতে পারেন, তাহলে 
ইনশাল্লাহ আপনি অবশ্যই  দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে পারবেন।এবং নিজের প্রয়তমাকেও সুখের সাগরে ভাসিয়ে দিতে পারবেন।এবং আপনি হতে পারবেন আপনার প্রিয়ার প্রিয়তম স্বামী।









একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ