মহিলারা কিভাবে গর্ভবতী হয়? গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো কি? গর্ভবতী মহিলার খাবার কি? health tips BD 24/2022

মহিলারা কিভাবে গর্ভবতী হয়? গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো কি কি? গর্ভবতী মহিলাদের খাবার তালিকা।


হাই বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন।
আমি আজ গর্ভবতী মহিলাদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, যা আপনারা পরিপূর্ণভাবে পড়লে খুব উপকৃত হবেন বলে আমি আশা রাখি। তাহলে আসুন শুরু করা যাক।

√√ গর্ভবতী কী?

সাধারণত গর্ভবতী বলতে আমরা বুঝি, যখন স্বামী স্ত্রীর মিলন হয়।তখন স্বামীর যেই বীর্য স্ত্রীর যৌনি দিয়ে প্রবেশ করে, স্বামীর শুক্র স্ত্রীর ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে।

অতঃপর তা আস্তে আস্তে, রক্তপিণ্ড, তারপর গোস্তের টুকরো এরপর আস্তে আস্তে মান আকৃতি ধারণ করে। ওই নারী কি আমরা গর্ভবতী নারী বলে থাকে।

√√ মেয়েরা কিভাবে গর্ভবতী হয়?কিভাবে গর্ভধারণ ঘটে?

একটি মেয়ের মাসিক শুরু হয় ৯-১৫ বছর বয়সের মধ্যে এবং মাসিক আরম্ভ হবার পর থেকে প্রতি মাসে একটি করে ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় ।
এই ডিম্বাণু সাধারণত দুই মাসিকের মাঝামাঝি সময়ে ডিমের থলি থেকে ডিম্ববাহী নালীতে আসে । এই সময়ে যদি যৌনমিলন হয়,তাহলে পুরুষের শুক্রাণু যোনিপথ দিয়ে ডিম্ববাহী নালীতে গিয়ে পৌঁছায়।
সেখানে ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হবার ফলে ভ্রুণ তৈরি হয় । একে গর্ভধারণ বলে ।

√√ গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ গুলো কি কি?

একজন নারী যখন গর্ভবতী হয়, তখন
গর্ভাবস্থায় একজন নারীর অনেক ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন শুরু হয় তা আমরা সবাই জানি।

এই দীর্ঘ কঠিন সময়ে তাদের একেক সময়ে, একেক উপসর্গ দেখা দেয়। গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি? গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে ধারণা না থাকলে পরবর্তিতে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আজকে আমরা আপনাদের জানাবো গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী কী সেই সম্পর্কে।

√√ গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ সমূহ

•• ক্র্যাম্পিং
ক্র্যাম্পিং বা পেট আঁকড়ে ধরা। প্রেগন্যান্সির প্রথম দিকের একটি কমন উপসর্গ। ব্যথা মৃদু থেকে মধ্যম ধরনের হতে পারে। এর সাথে কিছুটা ব্লিডিং বা রক্তপাতও দেখা দিতে পারে। মূলত ইমপ্ল্যানটেশনের  জন্য এটা হয়ে থাকে।

••ক্লান্তি বা অবসাদ:
ক্লান্তি এটি গর্ভাবস্থার যেয়কোন সময়ে দেখা দিলেও, প্রথম দিকে সেটা বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। যেহেতু প্রোজেস্টেরন  হরমোনের মাত্রা শরীরে অনেক বেশি থাকে, তাই ক্লান্তি বা অবসাদও বেশি দেখা যায়। পর্যাপ্ত ঘুম ও খাদ্যের আভ্যাসে এর থেকে  মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

••ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ করা:

প্রেগন্যান্সিতে হৃৎপিণ্ড শরীরে বেশি রক্ত পাম্প করে।এর ফলে কিডনীর বেশি তরল ছাঁকতে হয় এবং মূত্রথলিতে সেই অতিরিক্ত তরল এসে জমা হয়। তাই ঘনঘন পেশাবের বেগ আসে এবং অস্বস্তি দেখা দেয়।
এক্ষেত্রেও হরমোন প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিশেষজ্ঞরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত ৩০০ মি.লি পানি গ্রহণে মত প্রকাশ করেছেন।

•• পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য :

পিরিয়ডের লক্ষণের মতো পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যও প্রেগন্যান্সির শুরুতে দেখা দেয়। হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে পরিপাকতন্ত্রের কার্যকলাপ কিছুটা শিথিল হয়ে যায়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা দেখা দেয় এবং পেট ফাঁপা অনুভূত হয়। এই জন্য প্রচুর প্রচুর পরিমাণে পানি, আঁশ জাতীয় শাকসবজি ও ফল খেলে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়।

•• শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকা:

শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকাও প্রেগন্যান্সির শুরুর দিকের এটি একটি লক্ষণ। আবহাওয়া ও ব্যায়াম করলে, এর তাপমাত্রা আরো বেড়ে যেতে পারে। এ সময় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে এবং সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করা উচিত।

•• বমি হওয়া:

বমি বমি ভাব, মর্নিং সিকনেস সাধারণত (৪-৬) সপ্তাহেই শুরু হতে দেখা যায়। যদিও এর নাম মর্নিং সিকনেস, তাও এই দুর্বলতা বা অসুস্থতা দিন বা রাতের যে কোন সময়ই দেখা দিতে পারে।

হরমোনের প্রভাব থাকলেও এর আসল কারণ এখনও জানা যায়নি, প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাসে অনেক মহিলারই এই মর্নিং সিকনেস দেখা যায়।

ধীরে ধীরে সেটা তীব্রতর হতে পারে প্রেগন্যান্সির  শেষের দিকে। অনেকের আবার সময়ের সাথে সাথে এর তীব্রতা কমতেও দেখা যায়। নোনতা ক্র্যার্কাস বা চিপস্ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান এই সমস্যা সমাধানে উপকারী।

•• স্তনে ব্যথা অনুভূত হওয়া:

(৪-৬) সপ্তাহের দিকে স্তনে হালকা ব্যথা অনুভব হয়। হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে এটি হয়ে থাকে। অনেক সময় এই ব্যথা বা অস্বস্তিকর অনুভূতি ১১ সপ্তাহের দিকেও হতে পারে। আরামদায়ক ম্যার্টানিটি ব্রা এই সময় ব্যবহার করতে হবে।

•••রক্তচাপ এবং মাথা ঘোরানো:
প্রেগন্যান্সির শুরুর দিকে রক্তচাপ নেমে যায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। এর ফলে মাথা ঘুরে। রক্তচাপ ও মাথা  ঘুরা গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম।

যার ফলে শরীর অনেক দুর্বল লাগে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। এবং অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকা যাবে না দুর্বলতার জন্য।

•••খাবারে অনীহা ও গন্ধ লাগা:

খাবারে গন্ধ লাগার কথা, অনেক গর্ভবতী নারীরা ই  গর্ভাবস্থার শুরুতে করে থাকেন। যদিও গবেষণাগুলো খুব একটা ভিত্তি খুঁজে পায়নি এ অভিযোগের। তবে এই অনুভূতি থেকে বমি বমি ভাব লাগতে পারে। তবে গবেষকদের মতে, মহিলাদের  এই ধরনের অনুভূতি প্রথম মাসেই বেশি দেখা যায়।

•••হৃৎপিন্ডের দ্রুত হার:

সাধারণত(৮-১০) সপ্তাহের দিকে আপনার হৃৎপিণ্ডের গতি দ্রুত হতে থাকে। এটি গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ। এর সাথে বুক ধড়ফড়ও থাকতে পারে। হরমোনের  তারতম্যের কারণেই এটি হয়ে থাকে।

•••মেজাজ খিটখিটে হওয়া:

গর্ভাবস্থায় মহিলাদের মেজাজও খিটখিটে হয়ে থাকে অনেক সময়। কখনো তারা ফুরফুরে থাকে আবার কখনো চড়া মেজাজে। এও হরমোনেরই খেলা। তখন দেখা যায় খাবার নয় এমন জিনিসও খেতে ইচ্ছা করে। যখন তত মেজাজের এই পরিবর্তনকে মুড সুয়িং বলে। স্বামী বা পরিবারের পর্যাপ্ত সহযোগিতায় এই সমস্যা মেটানো সম্ভব।

√√গর্ভবতী হওয়ার পর কি মাসিক হয়?

কিছু ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারী গর্ভাবস্থায় যোনিপথে রক্তপাত হতে দেখেন।এটি খুব  কম ক্ষেত্রে এরকমও শোনা গেছে যে, গর্ভবতী  মহিলা মাসিকের মতো থেমে থেমে রক্তপাত হতে দেখছেন।

ভাল করে জেনে রাখা দরকার, গর্ভাবস্থায় যোনি থেকে রক্ত বের হলে সেটাকে কখনোই মাসিক বলা যায়না  বরং অন্যকিছু। চলুন বিস্তারিত জানা যাক।

মাসিক ঐ সময় হয়, যখন আপনি গর্ভধারণ করেননি। প্রতিমাসেই আপনার জরায়ুতে রক্তে পরিপূর্ণ ঘন আস্তর তৈরি হয়, যাতে সহবাসে বা অন্যকোনভাবে নিষিক্ত ডিম্বানু যেন এখানে আটকাতে পারে।

যদি কোন মাসে আপনি গর্ভধারণ না করেন, তাহলে আপনার শরীর এই টিস্যু ও রক্তের আস্তর দেহ থেকে বের করে দেয়। এই বের হয়ে যাওয়াই মাসিক বা মেনস্ট্রুয়াল পিরিয়ড বা সংক্ষেপে পিরিয়ড।
যখনই কোন ডিম্বানু জরায়ুর দেয়ালে আটকায়, আপনার হরমোন এই রক্ত ও টিস্যুর আস্তরকে শরীর থেকে বের না করার সংকেত দেয়, কারণ এটা ডিম্বানুতে থাকা সম্ভাব্য মানব সন্তানের বসবাসের জায়গা।
আপনার গর্ভাবস্থা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আস্তরন এখানেই থাকবে, এবং এজন্য এসময় আপনার মাসিক হওয়া সম্ভব নয়।

√√গর্ভবতী মায়ের খাবারের তালিকা:

এই পৃথিবীতে প্রতিটি শিশুর  মা হলো তার বাচ্চার জন্য, বটবৃক্ষের মতো। মায়ের অফুরন্ত স্নেহ, ভালোবাসায় শিশুরা নিরাপদ ও নির্ভাবনায় বেড়ে ওঠে থাকে।  এই জন্যই সবার আগে গর্ভবতী মায়ের পুষ্টির দিকটি খুব ভালো ভাবে লক্ষ রাখতে হবে।
সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান জন্মদানের, প্রধান শর্ত হলো, গর্ভবতী মায়ের যথাযথ পরিচর্যা। গর্ভকালীন প্রথম তিন মাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

তাই এ সময় গর্ভবতী নারীর খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব, অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমে যাওয়া ও রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
তাই পরিবারের সদস্যদের গর্ভবতী মায়ের জন্য সুস্বাস্থ্য এবং সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে পাঁচ মাস থেকে ভ্রূণের যথাযথ বৃদ্ধির জন্য মায়ের খাবারটা হওয়া চাই সুষম।

সঙ্গে আমিষ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং পর্যাপ্ত পানি যাতে থাকে। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুম বা বিশ্রাম নিশ্চিত করা অতীব জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভের শেষের দুই মাস তাদের প্রয়োজনীয় আমিষের চাহিদার সঙ্গে, অতিরিক্ত ২০ গ্রাম আমিষ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এইসব আমিষ উৎকৃষ্ট অর্থাৎ প্রাণীজ হওয়া উচিত।
পাশাপাশি খাবারে যাতে ৫০০ মিলিগ্রাম অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম ও ৫ মিলিগ্রাম লোহাও থাকে। ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত দুধ ও বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

এ ছাড়া ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’–এর অভাবে এ সময় অস্টিওম্যালেসিয়াম নামের অস্থি বা হাড়ের রোগ দেখা দেয়। এ ছাড়া এ সময় আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন সামুদ্রিক মাছ, গর্ভবতী মায়ের খাদ্যে থাকা উচিত।

কারণ আয়োডিন শিশুর বুদ্ধি বা মস্তিষ্কের বর্ধনের জন্য জরুরি। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে যেখানে গর্ভস্থ শিশুর ওজন প্রতিদিন বড়জোর ১ গ্রাম করে বৃদ্ধি পায়, সেখানে পাঁচ মাসের পর থেকে প্রতিদিন ১০ গ্রাম করে ওজন বাড়তে শুরু করে।

গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস শিশুর মোট ওজনের অর্ধেক বৃদ্ধি পায়। সে জন্য মায়ের পুষ্টির দিকটা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

√√গর্ভবতী মায়ের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা:

••• সকালে ৮টি থেকে সাড়ে আটি—রুটি,  পরোটা দুটি, একটি ডিম ও দুই কাপ সবজি।
•••১১টা থেকে সাড়ে ১১টা এর মধ্যে,২৫০ মিলিগ্রাম দুধ অথবা বাদাম ৬০ গ্রাম, বিস্কুট দুটি অথবা মুড়ি, যেকোনো একটি মৌসুিম ফল।

•••দুপুরে ভাত তিন কাপ (মাঝারি চায়ের কাপে), মাছ বা মাংস দুই থেকে তিন টুকরো

•••সপ্তাহে একদিন সামুদ্রিক মাছ, শাকসবজি, সালাদ ও লেবু, ডাল এক কাপ।

••• বিকেল পাঁচটা থেকে ছয়টা এর মধ্যে,দুধ ২৫০ মিলিগ্রাম বা স্যুপ অথবা ৬০ গ্রাম বাদাম, বিস্কুট অথবা মুড়ি ৩০ গ্রাম অথবা নুডলস এক কাপ। রাত—ভাত চার কাপ, মাছ বা মাংস অন্তত দুই টুকরো, সপ্তাহে একদিন সামুদ্রিক মাছ, শাকসবজি এবং এক কাপ ডাল।

√√ গর্ভবতী নারীর খাদ্য সম্বন্ধে কিছু প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা

বাড়ির অনেক মুরুব্বি মহিলা আছেন যারা, হবু মাকে বাড়তি খাবার খেতে নিষেধ করেন। এবং তাঁদের ধারণা অতিরিক্ত খাবার খেলে পেটের সন্তান বড় হয়ে যাবে। আর বড় হয়ে গেলে সিজার করতে হবে। ফলে মা অপুষ্টিতে ভোগেন এবং শিশু কম ওজন নিয়ে অপরিণত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়।

এটা একেবারেই ঠিক নয়। এ ছাড়া মাকে কিছু পুষ্টিকর খাবারের বিষয়ে ভ্রান্ত ধারণা দেওয়া হয়। যেমন মৃগেল মাছ খেলে সন্তানের মৃগী রোগ হয়। বোয়াল মাছ খেলে সন্তানের চোয়াল অনেক বড় হয়।

শিং বা শোল মাছ খেলে সন্তানের দেহ সর্পাকৃতির হয়। শসাজাতীয় কোনো সবজি খেতে দেওয়া হয় না, বলা হয়—সন্তানের দেহের চামড়া ফাটা ফাটা হবে। কলা খেলে ঠান্ডা লাগবে।চন্দ্রগ্রহণ অথবা সূর্যগ্রহণের সময় সারা দিন মাকে না খাইয়ে রাখা হয়। ইত্যাদি অগণিত ভ্রান্ত ধারণা আছে—যা শুধু ভ্রান্তই।
তা হবু মায়ের অপুষ্টিরও একটি কারণ।

--------------------------------------------------------


Teg.......

Signs of pregnancy before missed period

What are the 10 signs of pregnancy

What are the 10 signs of pregnancy

Name at least five kinds of food that a pregnant woman should eat

What to eat during pregnancy to have a beautiful baby

Foods to eat when pregnant: first trimester

হওয়ার ঔষধের নাম

গর্ভবতী মায়ের নিষিদ্ধ খাবার
৪ মাসের গর্ভবতী বাচ্চার নড়াচড়া
চন্দ্রগ্রহণের সময় গর্ভবতী মহিলারবমহিলারবব্য করণীয় ইসলাম কি বলে
সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী ইসলাম কি বলে
গর্ভবতী অবস্থায় আমল
গর্ভবতী মায়ের ঔষধ
গর্ভবতী মায়ের টিকা
গর্ভবতী ভাতা পাওয়ার নিয়ম
গর্ভবতী মায়ের যত্ন


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ